সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল

সিএনজিচালিত অটোরিকসার অবৈধ স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করুন

  • আপলোড সময় : ০৭-১০-২০২৫ ০৮:৪৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৭-১০-২০২৫ ০৮:৪৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
সিএনজিচালিত অটোরিকসার অবৈধ স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করুন
সুনামগঞ্জ শহরের যানজট আজ যেন শহরবাসীর নিত্যদিনের যন্ত্রণা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত শহরের প্রধান সড়কগুলোতে গতি বলতে কিছুই নেই। বিদ্যালয়ে যাওয়া শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে অফিসগামী মানুষ - সবার মুখে একটাই অভিযোগ: শহর যেন সিএনজি’র কবলে পড়েছে। একদিকে অনুমোদনহীন সিএনজি চালিত অটোরিকশার অবাধ চলাচল, অন্যদিকে সড়কের ওপর ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা অসংখ্য সিএনজি স্ট্যান্ড - এই দুই মিলেই শহরজীবন আজ হয়ে উঠেছে ভোগান্তির আরেক নাম। সুনামগঞ্জ পৌরসভার ভেতরেই ৯টির বেশি স্থায়ী-অস্থায়ী সিএনজি স্ট্যান্ডের অস্তিত্ব পাওয়া যাচ্ছে। আরও আশঙ্কার বিষয়, এর একটিও নাকি প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনপ্রাপ্ত নয়। প্রশ্ন জাগে- তাহলে এগুলো কাদের ছত্রছায়ায় চলছে? প্রতিদিন হাজারো সিএনজি শহর ও শহরতলীর সড়কে চলাচল করছে, যেগুলোর অধিকাংশই অবৈধ। এদের থেকে সংগৃহীত মাসিক টোকেন ফি ও চাঁদার টাকা কোথায় যায় - এই প্রশ্নের উত্তর শহরবাসী ভালোভাবেই জানেন। কিছু শ্রমিক সংগঠনের অসাধু নেতা, ট্রাফিক বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কিছু দপ্তরের অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে এই অবৈধ সিন্ডিকেট বছর বছর আরও শক্তিশালী হচ্ছে। ফলাফল ভয়াবহ- পথ সংকীর্ণ হয়ে পড়েছে, যানবাহনের চাপ বেড়েছে, দুর্ঘটনার ঝুঁকি কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। শহরের প্রতিটি মোড়ে মোড়ে এখন সিএনজি পার্কিং জোন, যেখানে পথচারী কিংবা অ্যাম্বুলেন্সেরও জায়গা নেই। জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। “আমরা অনুমতি দিইনি” - এই বক্তব্য দিয়ে দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। প্রশাসনের নীরবতা মানে দায়মুক্তি নয়। আর শ্রমিক সংগঠনের তথাকথিত “মৌখিক অনুমতি” আইনের পরিপন্থী এবং সুশাসনের পরিপূরক নয়। এখনই সময়- শহরের সিএনজি চলাচল ও স্ট্যান্ড ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের। পৌরসভা, ট্রাফিক বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে সিএনজি রুট পারমিট ও স্ট্যান্ডের সংখ্যা পুনর্মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। অবৈধ সিএনজি স্ট্যান্ডগুলো অবিলম্বে উচ্ছেদ করে বিকল্প পার্কিং ব্যবস্থা করতে হবে। আর সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো, চাঁদাবাজি ও অবৈধ আর্থিক লেনদেনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। একটি ছোট্ট মফস্বল শহর যদি কয়েক হাজার সিএনজির দখলে চলে যায়, তবে তা শুধু শহরের শৃঙ্খলার জন্য নয়, প্রশাসনের ভাবমূর্তির জন্যও লজ্জাজনক। সুনামগঞ্জ শহরকে যদি সত্যিই বসবাসযোগ্য রাখতে চাই, তাহলে অবিলম্বে এই অবৈধ সিএনজি স্ট্যান্ড সংস্কৃতির লাগাম টানতে হবে - আইন প্রয়োগের মাধ্যমে, কোনো ‘মৌখিক অনুমতি’ দিয়ে নয়।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স